Skip to product information
1 of 1

Read Room

Rise of Asia Series

Rise of Asia Series

Regular price Tk 1,290.00 BDT
Regular price Sale price Tk 1,290.00 BDT
Sale Sold out
View all available Formats and Editions
Quantity

১৯৬০-এর দশকে সিঙ্গাপুরের বেকারত্বের হার ছিল প্রায় ১৪ শতাংশ। তখন দেশটির অর্থনীতি ছিল দুর্বল, শিল্প খুব সীমিত, আর মানুষের বড় অংশ সাধারণ শ্রমের ওপর নির্ভরশীল। দক্ষিণ কোরিয়ায় ১৯৬১ সালে মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র ৮২ ডলার—একটি দেশের জন্য যা ছিল বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ। একই সময়ে চীনও গভীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। এই তিনটি দেশকেই তখন আন্তর্জাতিকভাবে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত রাষ্ট্র হিসেবে দেখা হতো। আরও লক্ষণীয় বিষয় হলো, এই দেশগুলোর কোনোটিই তখন গণতন্ত্র, মুক্ত বাজার বা আধুনিক প্রশাসনের আদর্শ উদাহরণ ছিল না। বরং রাষ্ট্র ছিল তুলনামূলকভাবে কেন্দ্রীভূত, প্রশাসন ছিল শক্তিশালী, এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ ছিল দ্রুত। তবুও একটি বিষয়ে তারা স্পষ্ট ছিল—রাষ্ট্রকে কার্যকর করা, শিল্প উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং শিক্ষাকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে দেখা। সিঙ্গাপুরে লি কুয়ান ইউ প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও দক্ষতার ওপর জোর দেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় পার্ক চুং-হির সময়ে রপ্তানিমুখী শিল্পনীতির ভিত্তি তৈরি হয়। চীনে মাও সেতুংয়ের সময় অনেক চ্যালেঞ্জ থাকলেও, একটি সংগঠিত কেন্দ্রীয় কাঠামো ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণের সূচনা হয়, যার ওপর দাঁড়িয়ে পরবর্তী সংস্কারগুলো সম্ভব হয়। এই দেশগুলোর অগ্রগতিকে শুধু অর্থনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখলে বিষয়টি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এটি মূলত রাষ্ট্র পরিচালনা, নীতি নির্ধারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া—যেখানে সিদ্ধান্তগুলো সময়ের সাথে সাথে দিকনির্দেশনা ঠিক করেছে। এই অভিজ্ঞতাগুলো বুঝতে তিনটি বই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—The Singapore Story, The Making of Modern Korea, এবং Mao: The Man Who Made China। এই বইগুলো দেখায়, উন্নয়ন কোনো হঠাৎ ঘটনা নয়; এটি ধারাবাহিক সিদ্ধান্ত, বিনিয়োগ এবং সময়ের ফল। প্রশ্নটা তাই শুধু “ওরা কীভাবে এগিয়েছে” নয়—প্রশ্নটা হলো, রাষ্ট্র পরিচালনাকে তারা কতটা গুরুত্ব দিয়েছিল।

View full details